নীলফামারীঃ নীলফামারী উত্তরা ইপিজেড এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় ভুয়া স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাসরত দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী কপোত-কপোতীকে আটক করেছে এলাকাবাসী৷
আটককৃতরা হলেন, জেলা সদরের লক্ষিচাপ ইউনিয়নের দুবাছরি গ্রামের আবু হাসানের পুত্র, দুই সন্তানের জনক, আব্দুল ওহাব এবং টুপামারী ইউনিয়নের রামগঞ্জ কালিবাড়ী এলাকার দধি কান্ত রায়ের কন্যা, এক সন্তানের জননী কুসুম রানী৷
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, দুজনই ভিন্ন ধর্মালম্বী, বিবাহিত এবং স্বীয় সন্তানাদি থাকার পরেও প্রায় তিন বছর ধরে মন দেয়া নেয়াসহ অনৈতিক ভাবে শারীরিক সম্পর্কে জরিয়ে পড়ে তারা৷ এরই ধারাবাহিকতায় উত্তরা ইপিজেডে চাকুরীর সুবাদে ওই এলাকায় একটি বাড়ী ভাড়া করে সেখানে বসবাস করতেন কুসুম রানী৷ স্বীয় পরিচয় গোপন করে কুসুম রানীর স্বামী সেজে ওই বাড়ীতে অবাধে আসা যাওয়াসহ মাঝে মাঝে রাত্রী যাপন করতেন আব্দুল ওহাব৷ বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখে এলাকাবাসী৷ অবশেষে এলাকাবাসীর হাতে ধরা পরে দীর্ঘদিন ধরে পরিচয় গোপনকারী ওই দুজন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী কপোত কপোতী৷
এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি মেম্বার রশিদুল ইসলাম জানান, "আমাকে এর আগেও এলাকার লোকজন বিষয়টি জানিয়েছিলো, কিন্তু প্রমাণের জন্য কিছু বলিনি, আজ এসে নিজ হাতে তাদের আটক করি, বিবাহের সঠিক কাগজ দেখাতে না পারায় চেয়ারম্যান সহ স্থানীয়দের মতামত নিয়ে উভয় পরিবারের অবিভাবকদের হাতে দেয়া হয় তাদেরকে৷ "
এবিষয়ে সংংগলশী ইউপি চেয়ারম্যান, কাজী মোস্তাফিজার রহমান কথা বললে, জানান, আমি এলাকার বাইরে আছি, স্থানীয় মেম্বার রয়েছে, তিনি ব্যাবস্থা নিবেন।"
"প্রতিটি বাড়ী মালিক এর উচিত ভাড়াটের কাছে বাড়ী ভাড়া দিলে পুলিশ প্রশাসনের কাছে অবগত করা। তাহলে এরকম অবস্থার সৃষ্টি হবেনা।" বলে মন্তব্য করছেন এলাকাবাসী৷
