
এসআই রাজ : [২] করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে মানুষ এখন অফিস, ব্যবসা-বাণিজ্য, নিত্যপণ্য কেনাকাটা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সবকিছুতেই ব্যবহার করছেন অনলাইন প্লাটফর্ম।
[৩] তেমনিভাবে এবারের ঈদে অনলাইনে গরু ক্রয়, জবাই করে বাসায় মাংস পৌঁছে দিতেও প্রস্তুত রয়েছে অনেক সংগঠন।
[৪] গরু-ছাগলসহ কোরবানির পশু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছেন অসংখ্য কৃষক, খামারি ও ব্যবসায়ী। গ্রামের অনেক খামারিও এখন অনলাইনে বেচাকেনা করছেনঅপেক্ষা এখন ক্রেতাদের জন্য। [৫] বিভিন্ন খামারির ব্যক্তিগত উদ্যোগে চলছে ই-হাট, কোরবানির গরুর মেলা। ই-কমার্স সাইটগুলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় প্রস্তুতি নিচ্ছেন ডিজিটাল হাট করার।
[৬] অনেকেই খামারের ফেসবুকে পেজে পশুর ছবি, ভিডিও, বিবরণ, দামসহ প্রয়োজনীয় সব তথ্যই তুলে ধরছেন। সঙ্গে ফ্রি হোম ডেলিভারি অফার। কোনো খামারি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পশু কোরবানি ও মাংস প্রক্রিয়াজাত করে ক্রেতার বাসায় পৌঁছে দেয়ারও অফার দিচ্ছেন।
[৭] প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার বলেন, অনলাইনে বিক্রির পরিমাণটা অন্য বছরগুলোর তুলনায় বাড়বে। এখন অনলাইনে গরুর চেহারা দেখা যায়, ওজন জানা যায়, এমনকি একটি পশুর মাংস কতখানি হবে সেটাও জানা সম্ভব। সূত্র : জাগোনিউজ।