স্টাফ রিপোর্টার
'মাইক পেলেই' তারা শ্রমিকের ভাগ্যোন্নয়নের বড় বড় বুলি আওড়ায়। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি, রিকশাচালক সুজনকে ব্যবহার করে তারা কেবল ‘স্ট্যান্টবাজি’ বা সস্তা প্রচারণার রাজনীতি করছে। প্রকৃতপক্ষে, শ্রমিক শ্রেণিকে কেবল স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা ছাড়া এনসিপি আজ পর্যন্ত ইতিবাচক কিছুই করেনি। বর্তমানে সারা বাংলাদেশে ‘জাতীয় শ্রমিক শক্তি’-র সাংগঠনিক কাঠামো এবং নেতৃত্ব অত্যন্ত শক্তিশালী। অনেক জেলায় এনসিপির মূল দলের চেয়েও শ্রমিক শক্তির নেতারা সাংগঠনিকভাবে অনেক বেশি অগ্রসর। ৬৪টি জেলাতেই আমাদের বিস্তৃতি রয়েছে। সেই হিসেবে জাতীয় নির্বাচনে জাতীয় শ্রমিক শক্তি অন্যতম ভাগীদার হওয়ার দাবি রাখে।
আমাদের দাবি ছিল—অন্তত একটি আসনে হলেও প্রকৃত শ্রমিক প্রতিনিধিকে মূল্যায়ন করা হোক। কিন্তু এনসিপি সেই দাবি উপেক্ষা করে শ্রমিক শক্তির সাথে বেইমানি করেছে। শ্রমিক শক্তির নেতারা বলেছেন যে - আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—জাতীয় শ্রমিক শক্তি কোনো সস্তা জনপ্রিয়তার রাজনীতি চায় না; আমরা চায়ের দোকান থেকে সংসদ পর্যন্ত শ্রমিকের প্রকৃত অধিকার নিশ্চিত করতে চাই। যে সংসদে শ্রমিকের কোনো প্রতিনিধি নেই, সেই সংসদ আমরা চাই না। আমাদের সিদ্ধান্ত এনসিপির এই শ্রমিকবিরোধী এবং বেইমানিমূলক আচরণের প্রতিবাদে জাতীয় শ্রমিক শক্তি বাংলাদেশের ৬৪ জেলার কোথাও এনসিপির নির্বাচনী কাজে যুক্ত হবে না এবং তাদের কোনো প্রকার প্রচারণায় অংশগ্রহণ করবে না।
