মায়া জালে ফেলে ফারজানাকে প্রতারণা করে বিয়ে করে সুমন

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার রাজধানীর মিরপুরের জুটপট্টি গলিতে বাংলাদেশের অনলাইন ই-কমার্স প্লাটফর্ম আরোগ্য অনলাইন ফার্মাতে কর্মরত ম্যানেজার মোঃ সুমন আহমেদ পিতা- সোনাই মিয়া, মাতা- রাবেয়া বেগম, গ্রাম চাসনি পাড়া, রোড কলবাগাখানি, ডাকঘর -সিলেট অভিযোগকারী নারী ফারজানা আক্তার লিজা (৩৩) গত ১৭ জানুয়ারি মাসে মোঃ সুমন আহমেদ তার পূর্বের বিবাহ ও দুই সন্তানের পরিচয় লুকিয়ে ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী বিবাহ করেন যা ফারজানা আক্তার লিজাকে লুকায়িত করে রাখা হয়েছিল।

আরোগ্য অফিসে মোঃ সুমনের সাথে ফারজানা আক্তার লিপি একই অফিসে কাস্টমার কেয়ারে জব করতো। সেখান থেকেই তাদের পরিচয় পর্ব শুরু হয়।

বিয়ের কয়েক মাস পরে সুমনের দ্বিতীয় বিবাহর কথা প্রথম স্ত্রী তাসপি আক্তার অপি জানতে পেরে ঢাকায় আসে এবং এবং অফিসের কর্মরত কাস্টমার কেয়ারের ম্যানেজার মোঃ পারভেজ মূল হোতা এবং ওয়ার হাউজের নাজমুল, সিদ্দিক, সাগর, রাশেদ, রুম্মন, রুবেল সহ আরো বেশ কয়েকজন মিলে বেশ কয়েকদিন যাবত হুমকি-ধমকি দিয়েছে যেন অতি দ্রুত তালাক দিয়ে দেয়, এমনকি অফিস থেকে বের হওয়ার সাথে সাথেই উত্তপ্ত অবয়বৃত্তি দেখাতে থাকে যেন সুমনকে তালাক দেয় এবং অফিস থেকে চাকরি ছেড়ে ছেড়ে চলে যায়। এরকমভাবে সুমন ও সুমনের সহযোগীরা আরো অনেককেই চাকরি ছাড়ার প্রতিনিয়ত ভয়ভীতি দেখিয়ে চাকরি থেকে বের করার নোটিশ দিয়েছে বলে অনেক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন। ম্যানেজার মোঃ সুমনকে বিষয়টি ফারজানা আক্তার লিজা জানালে সুমন তাকে প্রকাশ করার জন্য না করে। প্রমোশন আটকে যাবে। পরবর্তীতে ফারজানা আক্তার লিজা চাকরি ছেড়ে দেয়।

ফারজানা আক্তার লিজা যে ভাষায় থাকে সেখানে মোঃ সুমন স্বামী পরিচযে তার বাসায় আসে এবং তাকে প্রতিনিয়ত বিরক্ত করে এবং তাকে হুমকি দেয় এই বলে তুমি যদি কারো সাথে সংসার করতে চাও তোমাকে শান্তিতে থাকতে দিবো না।

হঠাৎ একদিন ফারজানা আক্তার লিজা সুমনের বাসার সামনে গেলে হঠাৎ গত ১৫ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল ১০-তার দিকে পল্লবী থানাধিন মিরপুর ১০ এভিনিউ ৫ ব্লক সি বাসা নম্বর ১/ ১০ বাসার নিচে উপর থেকে নেমে প্রথম স্ত্রী বন্ধু নাজমুল হত্যার স্ত্রী ফারজানাকে নোংরা ভাষায় গালমন্দ দিতে থাকে। পরে ফারজানাকে বেঁধে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। এরপরে জনতার সহতায় ঢাকা মেডিকেলে থেকে চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে আসে। বাসার পরিবারের সবার পরামর্শে পল্লবী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

বর্তমানে ফারজানা আক্তার লিজা ও তার পরিবারবর্গ এর সুষ্ঠু বিচার ও তদন্ত সাপেক্ষে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে বিচারের দাবি জানাচ্ছে এবং সেই সাথে এই প্রতারণাকারী মোঃ সুমন আহমেদের মত আর কোন নরপশু যেন দ্বিতীয়বার প্রতারণার সাথে অন্য কোন নারীর সাথে এরূপ নাটক না করতে পারে তার প্রতিকার চেয়ে সকল নারী ও প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এবং সুষ্ঠু তদন্ত করে এলাকাবাসী জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে।