দেড় যুগ পর মাতৃভূমিতে ফিরছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যুক্তরাজ্য সময় বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লন্ডন ছাড়বেন তিনি। সব ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা নাগাদ পা রাখবেন দেশের মাটিতে।
সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। নিরাপত্তায় নেয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
নিপীড়ন আর শোক পাশ কাটিয়ে তার এই দেশে ফেরাকে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনই বলছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। বলছেন, দূর প্রবাসে থেকেও তরুণ মন আর উদ্যোমকে সঙ্গী করে সংগঠিত করেছেন দলকে। এবার সামনে থেকে সামলাবেন সব।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত বিএনপি। দলটির আশা, ৫০ লাখের বেশি নেতাকর্মী জমায়েত হবে ঢাকায়। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলে যাবেন তারেক রহমান। সেখানেই তাকে স্মরণকালের স্মরণীয় সংবর্ধনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি।
নেতাকর্মীদের দাবি, ২০২৪-এর অভ্যুত্থানের শুরু থেকে শেষ—পুরোটা সময় নেপথ্যের দারুণ কুশীলব ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। কর্মীদের সংগঠিত ও উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে নিখুঁত কৌশলী ভূমিকা নেন। একদিকে সরকার পতনের আন্দোলনে তীক্ষ্ণ নজর, অন্যদিকে রাষ্ট্র মেরামতের সংস্কার ভাবনা। অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতার পাশাপাশি রাজনৈতিক সরকারের গুরুত্ব নিয়ে নির্বাচনের তাগিদও দিতে থাকেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। এরপর থেকে সেখানেই অবস্থান করছিলেন। স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান কয়েকবার দেশে এলেও তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেননি।
