পুরান ঢাকা প্রতিনিধি
এনায়েত উল্লাহ জানান, সমাবেশস্থলে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তি আওয়ামী লীগের লোগোযুক্ত গেঞ্জি পরে ঘোরাঘুরি করছিল। পরিস্থিতি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তার দেহরক্ষীরা তিনজনকে আটক করার চেষ্টা করে, যার মধ্যে দুইজন আটক হয় এবং একজন পিস্তলসহ পালিয়ে যায়। আটককৃতদের কাছ থেকে ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনার দাবি দলটি বারবার জানিয়ে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, তফসিল ঘোষণার পরের দিন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলেও এখনও হত্যাকারীদের বিচারের আওতায় আনা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসীরা ফ্যাসিবাদবিরোধী ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করছে এবং কিছু শক্তি গোপন আঁতাত করে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে যৌথ বাহিনীর মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করতে হবে এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় দেশের প্রত্যাশিত নির্বাচন নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
এছাড়া তিনি সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো প্রহসনের বা ইঞ্জিনিয়ারিং নির্বাচনের চেষ্টা জাতি মেনে নেবে না এবং জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটলে রাজনৈতিক উত্তেজনা আবারও বাড়তে পারে।
