নবীনের মালিক বলেন, আমাদেরকে মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া হয় যে ৪৫০০ টাকার নিচে পাঞ্জাবি বিক্রি করা যাবে না আর ১৫০০ টাকার নিচে পাজামা বিক্রি করা যাবে না। তারা এই সিন্ডিকেট সবসময় নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। তবে আমাদের লক্ষ গ্রাহকের কাছে ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করা। এর কারণে যদি আমাদের বাধার সম্মুখীন হতে হয় তাহলে আমরা ব্যবসা বন্ধ করে দিব। আমি আবার প্রবাসে ফিরে যাব। আমার মনে হয় বাংলাদেশে ব্যবসা করা হবে না।
এনামুল হাসান বলেন, আমাদেরকে ফোন দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে যে সব শোরুম বন্ধ করে দেব যদি ভিডিও ডিলিট না করো। আমরা তো ভিডিও করিনি, আমাদের এক গ্রাহক ভিডিও করে ফেসবুকে দিয়েছে সেখান থেকে সংবাদকর্মীরা ভিডিওগুলো নিয়েছে।
তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় সম্পূর্ণ গরীব দুঃখী অসহায়দের মাঝে আমরা বিতরণ করে থাকি। ব্যবসার লাভ্যাংশ দিয়ে আমরা গরীব দুঃখী অসহায়দের খাবার বিতরণ করে থাকি। তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে থাকি। তারপর থেকে আমরা সবসময় মিডিয়ার আড়ালেই থেকেছি। কখনোই সামনে আসি নাই।
