ম্যাকাফির তথ্যমতে, নোভয়েস ম্যালওয়্যারটি মূলত বিভিন্ন ক্লিনার, ইমেজ গ্যালারি এবং গেম অ্যাপের ছদ্মবেশে ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোনে প্রবেশ করে। এরপর ম্যালওয়্যারটি ২০২১ সালে সমাধান করা পুরোনো অ্যান্ড্রয়েড ত্রুটিগুলোকে পুনরায় সক্রিয় করে স্মার্টফোনের রুট অ্যাকসেস–সুবিধা ব্যবহার করতে থাকে। এর ফলে অন্য কোনো অ্যাপ চালুর সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে নতুন কোড যুক্ত করে সেই অ্যাপের তথ্য সংগ্রহ করতে থাকে।
নোভয়েস ম্যালওয়্যারযুক্ত অ্যাপগুলো নামানোর সময় কোনো সন্দেহজনক অনুমতির প্রয়োজন হয় না। এমনকি নামানোর সময় যেসব কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, তা ভালোভাবেই করা যায় বলে অনেকেই নিয়মিত ব্যবহার করে থাকেন। এর ফলে ব্যবহারকারীদের অজান্তেই তাঁদের স্মার্টফোন থেকে তথ্য চুরি হতে থাকে। গুগলের একজন মুখপাত্র দাবি করেছেন, ২০২১ সালের পর যেসব স্মার্টফোনে নিরাপত্তা প্যাচ হালনাগাদ করা হয়েছে, সেগুলো নোভয়েস ম্যালওয়্যার থেকে নিরাপদে রয়েছে। আর তাই ব্যবহারকারীদের সব সময় হালনাগাদ সংস্করণের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা উচিত।
তবে কিছুটা স্বস্তির খবরও দিয়েছে গুগল। তাদের দাবি, ২০২১ সালের মে মাসের পর যেসব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেট রয়েছে, সেগুলো এই ম্যালওয়্যার থেকে তুলনামূলক নিরাপদ। ইতোমধ্যে শনাক্ত হওয়া ক্ষতিকর অ্যাপগুলো প্লে স্টোর থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, নিজের সুরক্ষার দায়িত্বও ব্যবহারকারীদের নিতে হবে। অ্যাপ ডাউনলোডের আগে ডেভেলপার সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া, রিভিউ পড়া এবং অচেনা লিংক থেকে অ্যাপ ইনস্টল না করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। পাশাপাশি ফোনে হঠাৎ ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়া, নিজে নিজে অ্যাপ ইনস্টল বা ডিলিট হওয়া, বা ফোন বারবার রিস্টার্ট হলে সতর্ক হতে হবে।
