দেশে বর্তমানে ৫টি স্টেশনে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলো হলো—বান্দরবানে সাঙ্গু নদী (বান্দরবান ও দোহাজারী স্টেশন), সুনামগঞ্জের মারকুলি ও সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে কুশিয়ারা নদী এবং নেত্রকোণার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদী।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার মুহুরী, ফেনী, সেলোনিয়া ও হালদা নদীর পানি কিছু স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার সৃষ্টি করতে পারে। এ সময় লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালীর নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবনের আশঙ্কাও রয়েছে।
এছাড়া সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী এবং ভুগাই-কংস নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কয়েকটি স্থানে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে সংশ্লিষ্ট নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সিলেট ও সুনামগঞ্জে কুশিয়ারা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি এবং সুরমা নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল এলাকায় নতুন করে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।
