হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) গাড়িবহরে হামলায় দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম ও মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ ২০ নেতাকর্মী ও সাংবাদিক আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এনসিপির দাবি, মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন।
জানা গেছে, হবিগঞ্জ শহরের সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে সভা করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা। সভা শেষে গাড়িবহর নিয়ে ফেরার পথে কোর্ট মসজিদ এলাকায় হামলা চালান ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। হামলার সময় সোনালী ব্যাংক চত্বরের ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেন সারজিস আলম। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং সারজিস আলমকে উদ্ধার করে নিরাপদে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে নিয়ে আসে।
তবে নাসীরউদ্দিন পাটওয়ারী দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সার্কিট হাউসে আসেন। একপর্যায়ে সেখান থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতারা বলেন, সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন। পরে তাদের পুলিশ উদ্ধার করে। আহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে অভিযোগ করে জানান, জেলা সার্কিট হাউজের ভেতর এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীরা গণমাধ্যমকর্মীদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।
ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ আরও লেখেন, ‘উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।
এনসিপির দাবি, মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় বিএনপি-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ হামলা চালিয়েছেন।
জানা গেছে, হবিগঞ্জ শহরের সাইফুর রহমান টাউন হলের সামনে সভা করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা-কর্মীরা। সভা শেষে গাড়িবহর নিয়ে ফেরার পথে কোর্ট মসজিদ এলাকায় হামলা চালান ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ সময় বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে শহরের সোনালী ব্যাংকের সামনে আবারও দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। হামলার সময় সোনালী ব্যাংক চত্বরের ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নেন সারজিস আলম। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং সারজিস আলমকে উদ্ধার করে নিরাপদে হবিগঞ্জ সার্কিট হাউসে নিয়ে আসে।
তবে নাসীরউদ্দিন পাটওয়ারী দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে সার্কিট হাউসে আসেন। একপর্যায়ে সেখান থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।
এ বিষয়ে এনসিপি নেতারা বলেন, সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের টাউন হলের সামনে পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাকর্মীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হন। পরে তাদের পুলিশ উদ্ধার করে। আহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে অভিযোগ করে জানান, জেলা সার্কিট হাউজের ভেতর এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়। হামলাকারীরা গণমাধ্যমকর্মীদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।
ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদ আরও লেখেন, ‘উদ্বেগজনক বিষয় হলো, পুলিশের উপস্থিতিতেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সংঘটিত এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক সহিংসতার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত।
