অন্যদিকে বছরের প্রথম সাত মাসে নিখোঁজ হওয়া ১৫ হাজার ৭১৭ শিশুর মধ্যে এখনো নিখোঁজ রয়েছে দুই হাজার ৩৮ জন। নিখোঁজ শিশুদের কাউকে পাওয়া গেছে মাটিচাপা অবস্থায়, কাউকে নদীতে।
যেমন জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাত বছরের একটি শিশু ১০ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। ১২ সেপ্টেম্বর তার সহপাঠীর বাড়ির মেঝেতে মাটিচাপা অবস্থায় লাশ পাওয়া যায়। পুলিশ সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, সহপাঠীর বাবা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের লাশ উদ্ধার হয়েছে।
পাবনায় ১০ বছরের এক শিশু ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হওয়ার ৭ দিন পর ডোবা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ভাষ্য, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ শিশুদের প্রতি এমন সহিংসতার অবসান ঘটিয়ে বিচারহীনতার সংস্কৃতি দূর করার পাশাপাশি ঘর, বিদ্যালয় ও সমাজে নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, বিকৃত মানসিকতা, পারস্পরিক হিংসা ও দ্রুত বিচার না হওয়ার কারণে শিশুরা আজ কোথাও নিরাপদ বোধ করছে না। অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা গেলে এই ভয়াবহ চিত্র পরিবর্তন করা সম্ভব।
