নিহতদের মধ্যে জনের পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। তারা হলেন, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জাজিরা গ্রামের আরব আলীর ছেলে সামাদ ফকির (৭০), কাজিরহাট গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে সোহাগ হোসেন (৩০), বড়কান্দি গ্রামের জহুর উদ্দিনের ছেলে জুয়েল রানা (৪০), ডুবিসাহেবের গ্রামের জাহান উদ্দিন মোল্লার আত্মীয় শালাল মোল্লা (৪৫), কাজিরহাট গ্রামের শাহিন হোসেন (২৫), রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরহাদপুর গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে ও বাসচালক সোহেল রানা (৪০), বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ার হক (৩০) এবং পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী গ্রামের মৃত শহিদুল ইসলামের মেয়ে তাছফিয়া খাতুন (৮)।
বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেন জানান, আরপি পরিবহনের বাসটি বরগুনা থেকে যাত্রী নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, পঞ্চগড় থেকে বালু নিয়ে একটি ট্রাক যাচ্ছিল ঝিনাইদহের দিকে। ভোরে সরকারপাড়া এলাকায় পৌঁছালে যানবাহন দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
দুর্ঘটনায় আহতদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। পাশাপাশি দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি।
