নতুন এই সচিবালয়ে ২০২৯ সালে অফিস করা যাবে বলেও জানান তিনি।
সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে নাসিমুল গণি বলেন, এটি সরকারেরই পরিকল্পনা। প্রধানমন্ত্রী এক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী চাচ্ছেন, যাতে একটি সমন্বিত পদ্ধতিতে পুরো সরকার আরও দ্রুত কাজ করতে পারে। এ জন্য ২৯ সালের মধ্যে এটি করার একটি লক্ষ্য রয়েছে। এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বাংলাদেশ সরকার।
সচিবালয় স্থানান্তরের ব্যয়ের বিষয়ে তিনি বলেন, এখনো ব্যয় নির্ধারণ করা হয়নি। এটির হিসাব-নিকাশ চলছে।
এর আগে বিকেলে সচিবালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, মন্ত্রিপরিষদ নাসিমুল গনিসহ সরকারের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
