জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬–২৭ করবর্ষে নির্ধারিত ব্যতিক্রম ছাড়া স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ২২ জুলাই থেকে এ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু হয়েছে। করদাতারা ঘরে বসেই অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে এবং প্রয়োজনীয় কর পরিশোধ করতে পারছেন। [১]
ই-টিন ও ই-রিটার্নের মধ্যে পার্থক্য কী?
ই-টিন বা ইলেকট্রনিক ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর হলো করদাতার পরিচিতি নম্বর। অন্যদিকে, আয়কর রিটার্ন হচ্ছে নির্দিষ্ট আয়বর্ষে একজন ব্যক্তির আয়, সম্পদ, বিনিয়োগ, কর পরিশোধসহ প্রযোজ্য আর্থিক তথ্যের বিবরণী, যা আইন অনুযায়ী কর কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করতে হয়।
ই-টিন থাকলেই যে প্রত্যেক ব্যক্তিকে একই নিয়মে কর দিতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। কার রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক এবং কার কত কর দিতে হবে, তা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আয়, পেশা, আর্থিক অবস্থা এবং আইনের নির্ধারিত শর্তের ওপর।
তবে শুধু আয় করমুক্ত সীমার নিচে থাকার কারণে কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত হয়ে যান না। নির্দিষ্ট কিছু পেশা, পদ, আর্থিক অবস্থা ও সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে। তাই নিজের ক্ষেত্রে আইনগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা জরুরি। [২]
কাদের আয়কর রিটার্ন দিতে হয়?
সাধারণভাবে যেসব ব্যক্তি বা শ্রেণির করদাতার ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—
- যাঁদের বার্ষিক আয় প্রযোজ্য করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে।
- যাঁদের ক্ষেত্রে আয়কর আইন অনুযায়ী রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
- নির্দিষ্ট শর্তে ফার্মের অংশীদার।
- কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালক বা শেয়ারহোল্ডার কর্মচারী।
- আইন দ্বারা নির্ধারিত শ্রেণির সরকারি কর্মচারী।
- যাঁদের নির্দিষ্ট সেবা গ্রহণ বা আইনগত প্রয়োজনে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দিতে হয়।
- আয়কর আইন অনুযায়ী অন্য যেসব ব্যক্তির রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক।
তবে তালিকাটি সম্পূর্ণ নয়। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধানের শর্ত অনুযায়ী বাধ্যবাধকতা নির্ধারিত হয়। শুধু ই-টিন আছে কি না, কিংবা আয় করযোগ্য কি না—এই দুটি তথ্যের ভিত্তিতে সবার ক্ষেত্রে একই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। [২]
২০২৬–২৭ করবর্ষে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক
এনবিআর ২০২৬–২৭ করবর্ষে অধিকাংশ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে। এজন্য ব্যবহার করতে হবে এনবিআরের নির্ধারিত ই-ট্যাক্স পোর্টাল।
তবে নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির করদাতাকে বাধ্যতামূলক অনলাইন দাখিলের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন—
- ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ করদাতা।
- শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, প্রযোজ্য সনদপত্রের শর্ত সাপেক্ষে।
- বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা।
- মৃত করদাতার পক্ষে রিটার্ন দাখিলকারী আইনগত প্রতিনিধি।
- বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিক।
এ ছাড়া ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন বা কারিগরি সমস্যার কারণে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট কর কর্তৃপক্ষের কাছে যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়া গেলে কাগজে রিটার্ন জমা দেওয়া যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে অনুমোদন ছাড়া অনলাইনের পরিবর্তে কাগজে রিটার্ন জমা দেওয়াকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ ধরে নেওয়া যাবে না। [১]
অনলাইনে ই-রিটার্ন জমা দেবেন যেভাবে
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।
ওয়েবসাইট: https://www.etaxnbr.gov.bd/
রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়াটি সাধারণভাবে কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করা যায়।
ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, ই-টিন, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যের সঙ্গে মিল রেখে বায়োমেট্রিক নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হতে পারে। নিবন্ধন সম্পন্ন হলে নির্ধারিত তথ্য ব্যবহার করে সিস্টেমে লগইন করতে হবে।
লগইন করার পর সংশ্লিষ্ট করবর্ষ ও আয়বর্ষ নির্বাচন করতে হবে। এরপর প্রযোজ্য আয়ের উৎস নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। বেতন, বাড়িভাড়া, ব্যবসা, কৃষি, আর্থিক সম্পদ এবং অন্যান্য উৎস থেকে আয় থাকলে সংশ্লিষ্ট খাতের তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে।
করদাতার ক্ষেত্রে যেসব তথ্য প্রযোজ্য, সেগুলো নির্ভুলভাবে দিতে হবে। আয়, বিনিয়োগ, উৎসে কর্তিত কর, অগ্রিম কর এবং আগে পরিশোধিত করের তথ্য প্রযোজ্য অংশে উল্লেখ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সামনে রেখে তথ্য পূরণ করলে ভুলের আশঙ্কা কমে।
সব তথ্য দেওয়ার পর সিস্টেমে প্রদর্শিত হিসাব যাচাই করতে হবে। কোনো তথ্য বাদ পড়েছে কি না, আয়ের অঙ্ক ও কর পরিশোধের তথ্য সঠিক আছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া জরুরি।
অতিরিক্ত কর পরিশোধের প্রয়োজন হলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে তা পরিশোধ করতে হবে। এনবিআরের ই-ট্যাক্স ব্যবস্থায় ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড এবং বিকাশ, রকেট, নগদের মতো অনুমোদিত ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে কর পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।
রিটার্ন সফলভাবে জমা দেওয়ার পর প্রাপ্তিস্বীকারপত্র বা অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ এবং প্রযোজ্য কর সনদ ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে। ভবিষ্যতে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ প্রয়োজন হলে এসব নথি কাজে আসতে পারে।
এনবিআরের প্রকাশিত নির্দেশনা অনুযায়ী, বর্তমান ই-রিটার্ন ব্যবস্থায় অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় সাধারণভাবে সহায়ক কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না। তবে প্রয়োজনীয় নথি সামনে রেখে সঠিক তথ্য দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে যাচাইয়ের প্রয়োজনে সেগুলো সংরক্ষণ করতে হবে।
রিটার্ন জমা না দিলে কি জরিমানা হতে পারে?
নির্ধারিত সময়ে আয়কর রিটার্ন দাখিল না করলে আইন অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ বা জরিমানার বিষয় আসতে পারে। তবে সবার জন্য একই অঙ্কের জরিমানা প্রযোজ্য—এমন ধারণা সঠিক নয়। করদাতার অবস্থা, রিটার্ন দাখিলের সময়, প্রযোজ্য আইন এবং সংশ্লিষ্ট বিধানের ওপর দায় নির্ভর করতে পারে।
এনবিআরের ২০২৬–২৭ করবর্ষের ঘোষিত ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য আর্থিক প্রণোদনা এবং পরবর্তী সময়ে দাখিলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত করের বিধান রয়েছে।
এ করবর্ষে ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে নিট প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ প্রণোদনার সুযোগ ঘোষণা করা হয়েছিল, যার সর্বোচ্চ সুবিধা ২৫ হাজার টাকা। ২৬ অক্টোবর ২০২৬ অনুযায়ী, এই প্রণোদনার নির্ধারিত সময়সীমা ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
এনবিআরের ঘোষিত ব্যবস্থায় ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে ওই প্রণোদনা পাওয়া যাবে না। আর ৩১ ডিসেম্বরের পর রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অতিরিক্ত করের বিধান কার্যকর হতে পারে। তাই শুধু প্রচলিত করদিবসের তারিখ দেখে নয়, ২০২৬–২৭ করবর্ষের বিশেষ নিয়মও যাচাই করা প্রয়োজন।
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদে ই-টিন থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন দাখিল না করার ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ই-টিনধারী প্রত্যেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা হবে। জরিমানার অঙ্ক ও প্রযোজ্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট আইন এবং করদাতার পরিস্থিতি বিবেচনা করতে হবে।
আয় না থাকলে বা কর শূন্য হলে কী করবেন?
কোনো ব্যক্তির আয় না থাকলে অথবা হিসাব অনুযায়ী প্রদেয় কর শূন্য হলে তাঁর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আছে কি না, সেটি আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে। আয় না থাকা এবং রিটার্ন দিতে বাধ্য না হওয়া একই বিষয় নয়।
যাঁদের ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক, তাঁদের প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত আয় ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করে রিটার্ন জমা দিতে হবে। কেবল কর পরিশোধ করতে হচ্ছে না বলে রিটার্নের প্রয়োজন নেই—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
একইভাবে, আয় বা সম্পদের তথ্য গোপন করে কিংবা প্রকৃত অবস্থার সঙ্গে অসংগত তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কর শূন্য হলেও তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা জরুরি।
রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন
ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে নিজের ই-টিন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মিলিয়ে নিতে হবে। আয়ের সব প্রযোজ্য উৎস, উৎসে কর্তিত কর, বিনিয়োগ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে হবে। ভুল তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দিলে পরবর্তী সময়ে সংশোধন বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হতে পারে।
এ ছাড়া ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার পর অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ ও সংশ্লিষ্ট সনদ সংরক্ষণ করা উচিত। নিবন্ধন বা জমা দেওয়ার সময় সমস্যায় পড়লে এনবিআরের ই-রিটার্ন সহায়তা নম্বর ০৯৬৪৩৭১৭১৭১-এ যোগাযোগ করা যেতে পারে।
ই-টিন নিবন্ধন করা থাকলে নিজের রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ২০২৬–২৭ করবর্ষে অনলাইন রিটার্নের বাধ্যবাধকতা ও সময়ভিত্তিক করের নিয়ম কার্যকর থাকায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখা উচিত।
কোনো ব্যক্তির আয় না থাকলে অথবা হিসাব অনুযায়ী প্রদেয় কর শূন্য হলে তাঁর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা আছে কি না, সেটি আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে। আয় না থাকা এবং রিটার্ন দিতে বাধ্য না হওয়া একই বিষয় নয়।
যাঁদের ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক, তাঁদের প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃত আয় ও অন্যান্য তথ্য উল্লেখ করে রিটার্ন জমা দিতে হবে। কেবল কর পরিশোধ করতে হচ্ছে না বলে রিটার্নের প্রয়োজন নেই—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।
একইভাবে, আয় বা সম্পদের তথ্য গোপন করে কিংবা প্রকৃত অবস্থার সঙ্গে অসংগত তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কর শূন্য হলেও তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করা জরুরি।
রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন
ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার আগে নিজের ই-টিন ও জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য মিলিয়ে নিতে হবে। আয়ের সব প্রযোজ্য উৎস, উৎসে কর্তিত কর, বিনিয়োগ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে হবে। ভুল তথ্য দিয়ে রিটার্ন জমা দিলে পরবর্তী সময়ে সংশোধন বা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হতে পারে।
এ ছাড়া ই-রিটার্ন জমা দেওয়ার পর অ্যাকনলেজমেন্ট স্লিপ ও সংশ্লিষ্ট সনদ সংরক্ষণ করা উচিত। নিবন্ধন বা জমা দেওয়ার সময় সমস্যায় পড়লে এনবিআরের ই-রিটার্ন সহায়তা নম্বর ০৯৬৪৩৭১৭১৭১-এ যোগাযোগ করা যেতে পারে।
ই-টিন নিবন্ধন করা থাকলে নিজের রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করে নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করাই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ২০২৬–২৭ করবর্ষে অনলাইন রিটার্নের বাধ্যবাধকতা ও সময়ভিত্তিক করের নিয়ম কার্যকর থাকায় শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রস্তুত রাখা উচিত।
