নিজস্ব প্রতিবেদক
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৩ জানুয়ারি রায়েরবাজার এলাকায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা একটি প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। এ সময় তালিকাভুক্ত একটি কিশোর গ্যাং ওই সমাবেশে ধারালো অস্ত্র প্রদর্শন করে হামলার চেষ্টা চালায়।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর হটলাইন নম্বরে প্রাপ্ত একটি কলের ভিত্তিতে বসিলা আর্মি ক্যাম্প থেকে ৪টি আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। ১৪ জানুয়ারি রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে সেনাবাহিনী ৯ জন দুষ্কৃতিকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতরা হলো—
মারুফ (১৯), মোঃ সানি (১৮), মোঃ আলাল (১৯), মোঃ রিফাত (২০), মোঃ সজিব (১৯), মোঃ রানা (১৯), মোঃ সাব্বির (১৮), মোঃ নাজমুল হাসান (১৯) এবং ওয়াসিম (২২)।
অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে ১৫টি বড় ধারালো ছুরি ও ৩টি সামুরাই উদ্ধার করা হয়।
এই অভিযানে স্থানীয় জনগণ সার্বক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেন এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপের জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর হটলাইন নম্বরে প্রাপ্ত একটি কলের ভিত্তিতে বসিলা আর্মি ক্যাম্প থেকে ৪টি আভিযানিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। ১৪ জানুয়ারি রাত ১২টা ৩০ মিনিট থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে সেনাবাহিনী ৯ জন দুষ্কৃতিকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। আটককৃতরা হলো—
মারুফ (১৯), মোঃ সানি (১৮), মোঃ আলাল (১৯), মোঃ রিফাত (২০), মোঃ সজিব (১৯), মোঃ রানা (১৯), মোঃ সাব্বির (১৮), মোঃ নাজমুল হাসান (১৯) এবং ওয়াসিম (২২)।
অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে ১৫টি বড় ধারালো ছুরি ও ৩টি সামুরাই উদ্ধার করা হয়।
এই অভিযানে স্থানীয় জনগণ সার্বক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনীকে সহায়তা করেন এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপের জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে ৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, "আটককৃত ৯ জনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য মোহাম্মদপুর থানায় হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করবেন বলে জানানো হয়েছে।"
