রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে দুইজন ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জানা গেছে, মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ছবি পাঠানো এবং ‘চ্যাটজিপিটি’ নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার সময় তাদের হাতেনাতে ধরা হয়।
আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্র ভবনের ১৩৫ নং কক্ষে সি' ইউনিটে সকাল ১১টায় প্রথম শিফটের এবং বিকাল সাড়ে ৩টায় দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষায় এ ঘটনা ঘটে।
অসদুপায় অবলম্বনকারী ছাত্ররা হলেন-
১। দিব্য জ্যোতি সাহা (রোল নম্বর ৩১১০০০৫২)। তার বাসা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী। তবে স্থায়ী বাসা খুলনা। তার বাবার নাম ড. সাহা চঞ্চল কুমার। তিনি জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার। তার মাতা অল্পনা সাহা একজন গৃহিণী।
২। মো. সামস্ আজমাইন (রোল নম্বর ৩১৩০৭৯৪১)। তার বাসা সদব, নওগাঁ। তার বাবার নাম রহিদুল ইসলাম, তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে জানা যায়, আজ রাবির 'সি' ইউনিটের দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা শুরু হয় বিকাল ৩টা থেকে। পরীক্ষা শেষ হবার কিছুক্ষণ আগে এই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ করে পরীক্ষার হলে থাকা পরিদর্শক। তিনি দেখতে পান ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ৩টা ১৩ মিনিটে একটা ছবি তোলেন এবং ৩টা ৩০ মিনিটে আরেকটি ছবি তুলে মেসেঞ্জার ব্যবহার করে আরেকজনের কাছে পাঠায়। তারপর কাছে গিয়ে দেখতে পান, ওই শিক্ষার্থী 'চ্যাট জিপিটি' নামক এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খুঁজে লেখার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করা হয়। এরপর প্রক্টর অফিসে তাকে নিয়ে আসা হয়।
জানতে চাইলে ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমি মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলাম। এটা আমার অপরাধ হয়েছে। আমি প্রশ্নপত্রের দুইটা ছবি তুলেছিলাম কিন্তু আমি লিখতে পারিনি। আমি স্বীকার করছি যে আমি অপরাধ করেছি, তবে আমাকে ছেড়ে দিলে আমি আর জীবনে এমন কাজ করব না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, আমাদের পরীক্ষা খুব সুন্দরভাবে শুরু হয়েছিলো কিন্তু হঠাৎ করে আমরা জানতে পারি প্রথম শিফট-এ একজন শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ধরা পড়েছে। এরপর দ্বিতীয় শিফট-এর পরীক্ষা শুরু হয় এবং আবার আরেকজনকে মোবাইলসহ ধরা হয়। এখন তার নামে মামলা করা হবে এবং পরবর্তীতে যেনো কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের কাজ না করে সেজন্য আমি নিজে বাদি হয়ে এ মামলা করবো।
উল্লেখ্য, রাবি 'সি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এ পর্যন্ত ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কেন্দ্রে। আরেকজনকে ধরা হয়েছে যার সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি এবং বাকি দুজন রাবি ক্যাম্পাসে পরিক্ষা দিচ্ছিলো।
২। মো. সামস্ আজমাইন (রোল নম্বর ৩১৩০৭৯৪১)। তার বাসা সদব, নওগাঁ। তার বাবার নাম রহিদুল ইসলাম, তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর থেকে জানা যায়, আজ রাবির 'সি' ইউনিটের দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা শুরু হয় বিকাল ৩টা থেকে। পরীক্ষা শেষ হবার কিছুক্ষণ আগে এই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ করে পরীক্ষার হলে থাকা পরিদর্শক। তিনি দেখতে পান ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ৩টা ১৩ মিনিটে একটা ছবি তোলেন এবং ৩টা ৩০ মিনিটে আরেকটি ছবি তুলে মেসেঞ্জার ব্যবহার করে আরেকজনের কাছে পাঠায়। তারপর কাছে গিয়ে দেখতে পান, ওই শিক্ষার্থী 'চ্যাট জিপিটি' নামক এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খুঁজে লেখার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করা হয়। এরপর প্রক্টর অফিসে তাকে নিয়ে আসা হয়।
জানতে চাইলে ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমি মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলাম। এটা আমার অপরাধ হয়েছে। আমি প্রশ্নপত্রের দুইটা ছবি তুলেছিলাম কিন্তু আমি লিখতে পারিনি। আমি স্বীকার করছি যে আমি অপরাধ করেছি, তবে আমাকে ছেড়ে দিলে আমি আর জীবনে এমন কাজ করব না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, আমাদের পরীক্ষা খুব সুন্দরভাবে শুরু হয়েছিলো কিন্তু হঠাৎ করে আমরা জানতে পারি প্রথম শিফট-এ একজন শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ধরা পড়েছে। এরপর দ্বিতীয় শিফট-এর পরীক্ষা শুরু হয় এবং আবার আরেকজনকে মোবাইলসহ ধরা হয়। এখন তার নামে মামলা করা হবে এবং পরবর্তীতে যেনো কোনো শিক্ষার্থী এ ধরনের কাজ না করে সেজন্য আমি নিজে বাদি হয়ে এ মামলা করবো।
উল্লেখ্য, রাবি 'সি' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় এ পর্যন্ত ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কেন্দ্রে। আরেকজনকে ধরা হয়েছে যার সম্পর্কে বিস্তারিত এখনও জানা যায়নি এবং বাকি দুজন রাবি ক্যাম্পাসে পরিক্ষা দিচ্ছিলো।
