(জবি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ভোক্তা অধিকার সংগঠন (সিসিএস) কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি -এর যুব শাখা 'কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ' সিওয়াইবি'র নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে সভাপতি হিসেবে মন জবি ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী নুর আলম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ এর শিক্ষার্থী আশরাফ আরেফিন।
আজ, ৭ ফেব্রয়ারি সিওয়াইবি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দ্বিবার্ষিক এই কমিটির অনুমোদন দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রিয়াজ এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন।
এদিকে, ঘোষিত এই কমিটিতে মোট ২৩ জন সদস্য রয়েছেন।নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ করবেন সুলাইমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফরহাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক তাওহিদ হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদ হোসেন,দপ্তর সম্পাদক মো. শিপুল মোড়ল, এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আবু রায়হান সরকার।
অন্যদিকে, অর্থ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, সহ-অর্থ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, প্রচার সম্পাদক হাসিব সরদার, সহ-প্রচার সম্পাদক মোহন খন্দকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক রজব আল ফাহিম, এবং ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতি খাতুন।
আবার, কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন সুহাইল আহম্মেদ, নুরুন্নাহার তিশা, জান্নাতুল ফেরদৌস, তৌফিক আনম, মো. রিফাত ইসলাম, শারিফুজ্জামান সাকিব, ফাইয়াজ আনাস সামি ও মাহমুদুল হাসান।
বক্তব্য হিসেবে নবনির্বাচিত সভাপতি নুর আলম বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোক্তা অধিকার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভেজাল ও প্রতারণার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা ধরে রেখে সংগঠনটিকে আরও সক্রিয় ও জনসম্পৃক্ত করতে আমাদের নতুন কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।"
তিনি বলেন, "আমরা জবি শাখাকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জবিতে সুষ্ঠু এবং কার্যকর ভাবে কর্মকান্ড পরিচালনায় সকলের পরামর্শ এবং সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য।"
অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আরেফিন বলেন, " "সিওয়াইবি জবি শাখাকে একটি কার্যকর ও গতিশীল সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সংগঠনটির ভূমিকা আরও জোরদার করা হবে।"
আজ, ৭ ফেব্রয়ারি সিওয়াইবি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দ্বিবার্ষিক এই কমিটির অনুমোদন দেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রিয়াজ এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন।
এদিকে, ঘোষিত এই কমিটিতে মোট ২৩ জন সদস্য রয়েছেন।নতুন কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সহ-সভাপতি হিসেবে কাজ করবেন সুলাইমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও ফরহাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক তাওহিদ হাসান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদ হোসেন,দপ্তর সম্পাদক মো. শিপুল মোড়ল, এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক হিসেবে আবু রায়হান সরকার।
অন্যদিকে, অর্থ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, সহ-অর্থ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, প্রচার সম্পাদক হাসিব সরদার, সহ-প্রচার সম্পাদক মোহন খন্দকার, আইন বিষয়ক সম্পাদক রজব আল ফাহিম, এবং ভোক্তা অধিকার বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতি খাতুন।
আবার, কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন সুহাইল আহম্মেদ, নুরুন্নাহার তিশা, জান্নাতুল ফেরদৌস, তৌফিক আনম, মো. রিফাত ইসলাম, শারিফুজ্জামান সাকিব, ফাইয়াজ আনাস সামি ও মাহমুদুল হাসান।
বক্তব্য হিসেবে নবনির্বাচিত সভাপতি নুর আলম বলেন, "জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোক্তা অধিকার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ভেজাল ও প্রতারণার বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থা ধরে রেখে সংগঠনটিকে আরও সক্রিয় ও জনসম্পৃক্ত করতে আমাদের নতুন কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।"
তিনি বলেন, "আমরা জবি শাখাকে একটি রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। জবিতে সুষ্ঠু এবং কার্যকর ভাবে কর্মকান্ড পরিচালনায় সকলের পরামর্শ এবং সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য।"
অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ আরেফিন বলেন, " "সিওয়াইবি জবি শাখাকে একটি কার্যকর ও গতিশীল সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে ধারাবাহিক সচেতনতামূলক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়িয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে সংগঠনটির ভূমিকা আরও জোরদার করা হবে।"
উল্লেখ্য যে, বেসরকারি ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনশাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি (সিসিএস) ২০১০ সাল থেকে দেশে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ ও ভেজাল প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি বর্তমানে সারাদেশে ৩৫টি শাখা, ৬৪টি জেলা ও ৭টি বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম রয়েছে এবং প্রায় দুই লাখ স্বেচ্ছাসেবী এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
