বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সকল সরকারী বেসরকারী আধাসরকারী সায়েত্বসাশিত, স্বশাসিত, প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত সরকারি কর্মচারীর দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ডাকে নবম পে স্কেল ঘোষণার দাবিতে কর্ম বিরতি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় ৪র্থ দিনের এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলার সকল সরকারী, আধাসরকারী, সায়েত্বসাশিত ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
আন্দোলনকারী নেতারা জানান, গত ৭ বছর ধরে তারা বেতন কমিশনের দাবি জানিয়ে আসছেন। গত বছরের ৫ ডিসেম্বরের বিশাল সমাবেশের পর সরকার ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আশ্বাস দিলেও দেড় মাস পার হয়ে গেছে। গত ২১ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এছাড়া সরকারের একজন উপদেষ্টার সাম্প্রতিক নেতিবাচক মন্তব্যে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
তারা আরো বলেন, স্বল্প বেতনে পরিবার নিয়ে থাকা, বাসাভাড়া, সন্তানদের শিক্ষাব্যয় ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামলানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে, অন্যদিকে পে স্কেলের কথা উঠলেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। এমতাবস্থায় তাদের দুরহ অবস্থার কথা চিন্তা করে উপদেষ্টা পরিষদ এই পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
বৃহস্পতিবার ৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০ টায় ৪র্থ দিনের এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলার সকল সরকারী, আধাসরকারী, সায়েত্বসাশিত ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
আন্দোলনকারী নেতারা জানান, গত ৭ বছর ধরে তারা বেতন কমিশনের দাবি জানিয়ে আসছেন। গত বছরের ৫ ডিসেম্বরের বিশাল সমাবেশের পর সরকার ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের আশ্বাস দিলেও দেড় মাস পার হয়ে গেছে। গত ২১ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর নতুন কমিটি গঠনের মাধ্যমে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন। এছাড়া সরকারের একজন উপদেষ্টার সাম্প্রতিক নেতিবাচক মন্তব্যে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র হতাশা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।
তারা আরো বলেন, স্বল্প বেতনে পরিবার নিয়ে থাকা, বাসাভাড়া, সন্তানদের শিক্ষাব্যয় ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির চাপ সামলানো দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে, অন্যদিকে পে স্কেলের কথা উঠলেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। এমতাবস্থায় তাদের দুরহ অবস্থার কথা চিন্তা করে উপদেষ্টা পরিষদ এই পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন করবেন বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
