বাগেরহাটের মোল্লাহাটে সাংবাদিককে ফোনে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ মাহফুজুর রহমান চৌধুরী (২৩) মোল্লাহাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
অভিযোগে তিনি জানান, গত ২৮ মার্চ রাত ১১টা ০৮ মিনিটে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি +৮৮০৯৬৪৪৯৬৪৪১৯ নম্বর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ০১৯৯৬৬৮০০০৪ নম্বরে কল দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হত্যার হুমকি দেয়।
মুঠোফোনে ওই ব্যক্তি তার পরিচয় নিশ্চিত করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, তুই সাংবাদিক, ন্যায় নিতির নিউজ মারাস, তোকে ই নিউজ বানায় দিব। তোর যা যা খেতে ইচ্ছে হয় খেয়ে নে, এটা ই তোর শেষ খাওয়া।
ভুক্তভোগী মাহফুজ দীর্ঘদিন যাবত দৈনিক দেশের পত্র ও দৈনিক গ্রামের কাগজ পত্রিকার মোল্লাহাট উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি মোল্লাহাট প্রেস ক্লাবের সদস্য। তার পিতা মরহুম মোঃ জাকির হোসেন চৌধুরী গাড়ফা-গিরিশনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক বলেন, ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ মাহফুজুর রহমান চৌধুরী (২৩) মোল্লাহাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
অভিযোগে তিনি জানান, গত ২৮ মার্চ রাত ১১টা ০৮ মিনিটে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি +৮৮০৯৬৪৪৯৬৪৪১৯ নম্বর থেকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে ০১৯৯৬৬৮০০০৪ নম্বরে কল দিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং হত্যার হুমকি দেয়।
মুঠোফোনে ওই ব্যক্তি তার পরিচয় নিশ্চিত করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, তুই সাংবাদিক, ন্যায় নিতির নিউজ মারাস, তোকে ই নিউজ বানায় দিব। তোর যা যা খেতে ইচ্ছে হয় খেয়ে নে, এটা ই তোর শেষ খাওয়া।
ভুক্তভোগী মাহফুজ দীর্ঘদিন যাবত দৈনিক দেশের পত্র ও দৈনিক গ্রামের কাগজ পত্রিকার মোল্লাহাট উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি মোল্লাহাট প্রেস ক্লাবের সদস্য। তার পিতা মরহুম মোঃ জাকির হোসেন চৌধুরী গাড়ফা-গিরিশনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
এ বিষয়ে মোল্লাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ কাজী রমজানুল হক বলেন, ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে, বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
