রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা।
বিক্ষোভকারীরা এ ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানার মৃত্যুদণ্ড ও জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি মৃত্যুদন্ডের দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার সোনার বাংলায় ধর্ষকদের ঠাঁই নেই’, ‘বিচার চাই বিচার চাই, ধর্ষকের বিচার চাই’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বিচারের জন্য কোন কার্ড?’, ‘ধর্ষকের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালো একসাথে’ এবং ‘সারা বাংলায় ধর্ষণ চলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করে?’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেন। দেশে ধারাবাহিকভাবে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। বক্তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার কার্যকর এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াকুত ফাতেমি বলেন, “বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের আর আস্থা নেই। প্রশাসন যদি বিচার করতে না পারে, তাহলে জনগণ বিচার নিজের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে। আমরা ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।”
আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বায়েজিদ বলেন, “এই ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়।” তিনি সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করে বলেন, “দেশের সব ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত করা হলে কয়েকটি ‘এপস্টিন ফাইল’-এর মতো নথি তৈরি করা সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ধর্ষকরা অল্প কিছুদিন জেলে থাকার পর জামিনে বের হয়ে আবার স্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়ায়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ধর্ষকদের সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হোসেন বলেন, “বারবার আমাদের মা-বোনেরা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। আর আমাদের রাস্তায় নেমে বিচার চাইতে হচ্ছে। প্রতিদিনই দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হচ্ছে। এটি শুধু সামাজিক অবক্ষয় নয়, বিচার ব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থারও প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে ধর্ষণের বিচার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আমরা চাই, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব মামলার বিচার কার্যকর করা হোক, যাতে কেউ আর ধর্ষণের চিন্তাও মাথায় আনতে না পারে।”
লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, “আমরা এমন এক দেশে বসবাস করছি, যেখানে হত্যা, গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। আমাদের বোনেরা ও সহপাঠী নারী শিক্ষার্থীরাও আজ কোথাও নিরাপদ নয়। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। আমরা সরকারের কাছে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা ‘আমার সোনার বাংলায় ধর্ষকদের ঠাঁই নেই’, ‘বিচার চাই বিচার চাই, ধর্ষকের বিচার চাই’, ‘ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, ধর্ষকের ফাঁসি চাই’, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বিচারের জন্য কোন কার্ড?’, ‘ধর্ষকের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘ধর্ষকদের বিরুদ্ধে আগুন জ্বালো একসাথে’ এবং ‘সারা বাংলায় ধর্ষণ চলে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কী করে?’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করেন। দেশে ধারাবাহিকভাবে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। বক্তারা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দ্রুত বিচার কার্যকর এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াকুত ফাতেমি বলেন, “বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের আর আস্থা নেই। প্রশাসন যদি বিচার করতে না পারে, তাহলে জনগণ বিচার নিজের হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে। আমরা ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন কাজ করার সাহস না পায়।”
আইন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী বায়েজিদ বলেন, “এই ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়।” তিনি সরকারের ব্যর্থতার সমালোচনা করে বলেন, “দেশের সব ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত করা হলে কয়েকটি ‘এপস্টিন ফাইল’-এর মতো নথি তৈরি করা সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, “ধর্ষকরা অল্প কিছুদিন জেলে থাকার পর জামিনে বের হয়ে আবার স্বাভাবিকভাবে ঘুরে বেড়ায়, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ধর্ষকদের সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করতে হবে এবং তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাকিব হোসেন বলেন, “বারবার আমাদের মা-বোনেরা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। আর আমাদের রাস্তায় নেমে বিচার চাইতে হচ্ছে। প্রতিদিনই দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হচ্ছে। এটি শুধু সামাজিক অবক্ষয় নয়, বিচার ব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থারও প্রতিফলন।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশে ধর্ষণের বিচার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আমরা চাই, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব মামলার বিচার কার্যকর করা হোক, যাতে কেউ আর ধর্ষণের চিন্তাও মাথায় আনতে না পারে।”
লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসান অন্তর বলেন, “আমরা এমন এক দেশে বসবাস করছি, যেখানে হত্যা, গুম, খুন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। আমাদের বোনেরা ও সহপাঠী নারী শিক্ষার্থীরাও আজ কোথাও নিরাপদ নয়। এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। আমরা সরকারের কাছে দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।”
