ভুক্তভোগীদের দাবি, যে ভিডিওকে কেন্দ্র করে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সেটি প্রায় চার বছর আগের। এছাড়া ভিডিওতে দেখানো ঘটনাটি কোনো অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়। বিষয়টি ব্যক্তিগত পর্যায়ে প্রায় দুই বছর আগেই মীমাংসা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের দুই সদস্যের সামাজিক ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের মানহানি করা হয়েছে।
ঘটনার পর কথিত সাংবাদিক শফিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ভুক্তভোগী রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শফিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
