এর আগে ভোর থেকেই লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে মক্কার আকাশ-বাতাস। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ১৫ লাখের বেশি বিদেশি হাজির সঙ্গে যোগ দিয়েছেন বিপুল সংখ্যক সৌদি হাজিও। হাজিদের যাত্রা ও সেবাব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে পূর্ণ প্রস্তুতির ঘোষণা দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
আগামী বুধবার পশু কোরবানির মধ্য দিয়ে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে এবং শুরু হবে ঈদুল আজহা। এরপর হাজিরা কাবা শরিফে বিদায়ী তাওয়াফ সম্পন্ন করে নিজ নিজ দেশে ফিরতে শুরু করবেন।
হজের সুন্নতি আমল অনুসরণ করে হাজিরা মিনার পথে তালবিয়া পাঠ করছেন এবং আল্লাহর প্রশংসা ও মহিমা বর্ণনা করছেন। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের চলাচল ও পবিত্র স্থানগুলোতে সেবার মান পর্যবেক্ষণের জন্য একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা কাঠামো চালু করা হয়েছে।
এ কাজে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে, হাজিদের আবাসন ও আতিথ্যকেন্দ্র থেকে মিনায় নেয়ার তদারকি, তাঁবুতে সহজ প্রবেশ নিশ্চিত করা, দিকনির্দেশনা ও সচেতনতামূলক সেবা দেয়া এবং অনুমোদিত পরিচালন পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রত্যেক হাজিকে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দিতে সহায়তা করা।
তীব্র গরম থেকে হাজিদের সুরক্ষা দিতে সৌদি সরকার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। পবিত্র স্থানগুলোতে ছায়া নিশ্চিত করতে বাড়তি শেড নির্মাণ, মিস্ট ফ্যান বা কৃত্রিম কুয়াশা তৈরির পাখা এবং পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে হাজিদের চিকিৎসাসেবা দিতে প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম ও ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল। গরমের কারণে অসুস্থতা এড়াতে হাজিদের ছাতা ব্যবহার ও পর্যাপ্ত পানি পান করার পরামর্শ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
