রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কেশরাব গ্রামে তীব্র জনঅসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এলাকার জনবসতি ও সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তার ওপর দিয়ে নির্মিত 'কাঞ্চন পুবাইল পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড'-এর ৩৩ কেভির একটি হাই ভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইন অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী। এই মৃত্যুফাঁদ থেকে বাঁচতে তারা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী, সচিব এবং রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত স্মারকলিপি ও আবেদন জমা দিয়েছেন। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের আধুরিয়া এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আমিনুল ইসলাম নয়ন, আল আমিন, মাওলানা আব্দুর রশিদ, রিপন মিয়া, আরিফ, ইবরাহিম মিয়া, সুমন, সঞ্জয় দাস, আলমগীর হোসেন, বাদল মিয়া, নুর আলমসহ আরো অনেকে।
এ সময় এলাকাবাসী বলেন, উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের কেশরাব গ্রামের ওপর দিয়ে কাঞ্চন পূর্বাচল পাওয়ার জেনারেশন লিঃ নামক একটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে হাইভোল্টেজ সংযোগের শর্টসার্কিট ফ্লাশিং হয়ে গত বছর শিশু সামিয়া দগ্ধ হয়। এ বিষয়ে কতৃপক্ষের কাছে গেলে তারা কোন পদক্ষেপ না নিয়ে সংযোগের কাজ চালিয়ে যায়। পরে গত ২৭ মে দুপুরে আরিফ নামের এক যুবক ফের দগ্ধ হন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা নেওয়া হয়। এ সংযোগ থেকে যেকোনো মূহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার আতংকে থাকতে হয়। এ বিষয়ে এলাকাবাসী বিদ্যুৎ ও জালানি দপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তবুও কোন প্রকার সুরাহা না হওয়ায় আমরা আজকের কর্মসূচী পালন করেছি। অতি দ্রুত এ সংযোগ অপসারণ না করা হলে আমরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধসহ বড় ধরনের কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নিবো।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আমিনুল ইসলাম নয়ন, আল আমিন, মাওলানা আব্দুর রশিদ, রিপন মিয়া, আরিফ, ইবরাহিম মিয়া, সুমন, সঞ্জয় দাস, আলমগীর হোসেন, বাদল মিয়া, নুর আলমসহ আরো অনেকে।
এ সময় এলাকাবাসী বলেন, উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের কেশরাব গ্রামের ওপর দিয়ে কাঞ্চন পূর্বাচল পাওয়ার জেনারেশন লিঃ নামক একটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে হাইভোল্টেজ সংযোগের শর্টসার্কিট ফ্লাশিং হয়ে গত বছর শিশু সামিয়া দগ্ধ হয়। এ বিষয়ে কতৃপক্ষের কাছে গেলে তারা কোন পদক্ষেপ না নিয়ে সংযোগের কাজ চালিয়ে যায়। পরে গত ২৭ মে দুপুরে আরিফ নামের এক যুবক ফের দগ্ধ হন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা নেওয়া হয়। এ সংযোগ থেকে যেকোনো মূহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটার আতংকে থাকতে হয়। এ বিষয়ে এলাকাবাসী বিদ্যুৎ ও জালানি দপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। তবুও কোন প্রকার সুরাহা না হওয়ায় আমরা আজকের কর্মসূচী পালন করেছি। অতি দ্রুত এ সংযোগ অপসারণ না করা হলে আমরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধসহ বড় ধরনের কর্মসূচী পালনের সিদ্ধান্ত নিবো।
