ইসলামি বর্ণনায় রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া শিখিয়েছেন—
اَللّٰهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াকা।
অর্থ: “হে আল্লাহ! আপনার হালালের মাধ্যমে আমাকে হারাম থেকে রক্ষা করুন এবং আপনার অনুগ্রহে আমাকে আপনার ছাড়া অন্য সকলের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করুন।”
ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, শুধু দোয়া করলেই যথেষ্ট নয়। রিজিক বৃদ্ধির জন্য হালাল পথে উপার্জন, নিয়মিত ইস্তিগফার, সময়মতো নামাজ আদায়, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং দান-সদকা করার মতো আমলও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব আমলের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা রিজিকে বরকত দান করেন বলে হাদিসে উল্লেখ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞ আলেমরা আরও বলেন, রিজিকের প্রকৃত অর্থ কেবল অর্থ-সম্পদ নয়; সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান, শান্তি, নেক সন্তান এবং জীবনের অন্যান্য কল্যাণও রিজিকের অন্তর্ভুক্ত। তাই একজন মুসলিমের উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে হালাল জীবিকা অনুসন্ধান করা এবং নিয়মিত দোয়া ও নেক আমলের মাধ্যমে তাঁর রহমত কামনা করা।
রিজিক বৃদ্ধি ও বরকতের জন্য দোয়ার পাশাপাশি সৎ জীবনযাপন, পরিশ্রম এবং আল্লাহর ওপর দৃঢ় বিশ্বাসই ইসলামের মূল শিক্ষা। নিয়মিত এই দোয়া পাঠ এবং হালাল উপার্জনের চেষ্টা একজন মুমিনের জীবনে কল্যাণ ও বরকত বয়ে আনতে পারে।
