গ্রামের পর এবার ঢাকায় রাতভর লোডশেডিং

দেশের গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের পর এবার রাজধানী ঢাকাতেও এর প্রভাব পড়েছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ করেছেন। বিশেষ করে রাতের দিকে একাধিক এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের খবর পাওয়া গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুক্তভোগীদের বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে নাগরিক ক্ষোভের চিত্র ফুটে উঠেছে। অনেকেই বলছেন, গ্রামাঞ্চলের মতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার অভিজ্ঞতা এখন রাজধানীবাসীকেও পোহাতে হচ্ছে।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষ সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন। পাশাপাশি বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা ও সেবাপ্রতিষ্ঠানগুলোতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানির সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। জাতীয় গ্রিডে উৎপাদন ও চাহিদার মধ্যে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বাড়াতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার দেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট। সোমবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে। মঙ্গলবার ছিল ৩ হাজার ৪৬৫ মেগাওয়াট এবং বুধবার সর্বোচ্চ লোডশেডিং হয়েছে ৩ হাজার ৩৮২ মেগাওয়াট।

পিডিবি ও বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) তথ্য বলছে, ১১ আগস্ট রাত ১২টায় সারা দেশে মোট লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৫৯২ মেগাওয়াট। একই সময়ে আরইবির আওতাধীন এলাকায় লোডশেডিং হয়েছে ৩ হাজার ৩৪ মেগাওয়াট।