বাড়িতে মিটার নেই, সংযোগও নেই, তবুও এল বিদ্যুৎ বিল

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিল। জামালপুরের মাদারগঞ্জে শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকারের নামে আগস্ট মাসের এই বিদ্যুৎ বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার দাবি, বাড়ির একটি মিটার খুলে নেওয়ার পর সেখানে নতুন কোনো মিটার বা সংযোগ দেওয়া হয়নি। এরপরও ওই মিটারের নামে বিল আসায় বিস্মিত তিনি।

গত ২৫ আগস্ট উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার এমন একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পায়। পরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি আলোচনায় আসে।

ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটার সংযোগের জন্য তিনি আবেদন করেন। তবে নতুন মিটার স্থাপন কিংবা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের জন্য একটি বিল এসেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি তো মিটারই চালাইলাম না, তাহলে কেমনে বিল আসলো। মিটার নিলাম গাছ পড়ে ভেঙে গেলো তারা মিটার আবার নিয়ে গেলো, তাহলে বিলে কেনো আসলো। আমি বিদ্যুৎ খরচই করিনি৷’

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাসায় চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও তৈরি করা হয়েছে। তবে তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের নামে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।

বিষয়টি নিয়ে জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘খালি স্থানটিতে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিলো, তবে মিটারের গ্রাহক সেই মিটারটি বাণিজ্যিক ভাবে চেয়ে আবেদন করেছিলেন। তাই আগের যে আবাসিক ছিলো সেইটার আগস্ট মাসের বিল এসেছে। তবুও আমরা তদন্ত করার জন্য টিম পাঠিয়েছি। যদি কোনো গাফিলতি বা ঘটনা সত্যি হয় তবে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’