সম্প্রতি সৌদি আরবে প্রত্নতাত্ত্বিক খননকাজের অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ এ আবিষ্কার হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে ইসলামের প্রাথমিক যুগ এবং সে সময়ের মসজিদের স্থাপত্যশৈলী সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, প্রাচীন মসজিদটি কাটা ও ঘষামাজা করা গ্রানাইট পাথর দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। স্থাপনাটির দক্ষিণ-পূর্ব অংশে একটি বর্গাকার মিনার ও সুনির্দিষ্ট মিহরাব রয়েছে। এমনকি ভেতরের দেয়ালে প্রাচীন জিপসাম প্লাস্টারের স্পষ্ট চিহ্নও এখনো বিদ্যমান। মূল প্রার্থনাকক্ষের কাঠামোর সঙ্গে আটটি সেবাকক্ষ যুক্ত রয়েছে এবং প্রাঙ্গণে প্রবেশের জন্য পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ দিকে তিনটি পৃথক প্রবেশপথ রাখা হয়েছে।
গবেষণায় যুক্ত প্রত্নতাত্ত্বিক দলের এক সদস্য জানান, এই মসজিদের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য হলো এর ভেতরের ও বাইরের দেয়ালজুড়ে থাকা শিলালিপি ও পবিত্র কোরআনের আয়াত। বিশেষ করে কিবলা দেয়ালে খোদাই করা অবস্থায় পাওয়া গেছে মহানবী (সা.)-এর উদ্দেশ্যে একটি প্রাচীন দোয়া। সেখানে সুস্পষ্টভাবে লেখা রয়েছে— "আবদুল্লাহর পুত্র মুহাম্মদের ওপর নেককার ও মনোনীত ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে বরকত বর্ষিত হোক। আমিন। হে সত্যের উপাস্য, সমগ্র সৃষ্টির প্রতিপালক।"
এর আগে জুনে মদিনার আল-মাহদ গভর্নরেটে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে ১ হাজার ৭৭৪টি নিদর্শন নথিভুক্ত করা হয়। এর মধ্যে হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর নামসংবলিত একটি বিরল পাথরের শিলালিপিও ছিল। সূত্র: ইসলামিক ইনফরমেশন
