শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে এনসিপির সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে এ ঘোষণা দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন এবং সাইবার আইনসহ কর্তৃত্ববাদী আইন বাতিল।
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, এই কারওয়ান বাজার সর্বাধিক চাঁদাবাজের শিকার হয়। তাই এ এলাকা থেকেই গণসংযোগ কর্মসূচি শুরু করছি। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি তেল ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে এই লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি। সারা দেশে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিহত করতে হবে। সারা দেশে এই গণবিক্ষোভ কর্মসূচি পরিচালিত হবে। নাসির ও আসিফের নেতৃত্বে ঢাকায় এই জনসংযোগ কর্মসূচি চলবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের সমালোচনা করে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, গত সাত মাসে তিনি সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার বদলে তিনি সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।
জ্বালানিমন্ত্রীর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জ্বালানি খাতের ব্যর্থতা কাটাতে সাত মাসেও সরকার কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারেনি। ফলে জ্বালানিমন্ত্রী হিসেবে তারও থাকার অধিকার নেই।
সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি করা হয়েছে জনগণের সাথে প্রহসন করার জন্য। সেই কমিটি অবিলম্বে বিলুপ্ত করে গণভোটের গণরায় ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হবে। সাইবার আইন যে আনা হচ্ছে সংশোধনী এটা আনা যাবে না এটা এটা কোনভাবেই সংসদে পাশ হতে দেওয়া হবে না।
