শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এনসিপির দপ্তর সম্পাদক সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই কমিটির কথা নিশ্চিত করা হয়।
এই পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে এনসিপির সাংগঠনিক কাঠামো থেকে সাতটি পদ কার্যত বিলুপ্ত হলো। এগুলো হলো- মুখ্য সমন্বয়ক, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক, মুখপাত্র, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক, সংগঠক ও যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক।
এনসিপির পুনর্গঠিত কমিটিতেও আগের মতো দুজন করে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব থাকছেন। আগের কমিটিতে মুখ্য সমন্বয়ক পদে নাসীরুদ্দীন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পদে সারজিস, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক পদে হাসনাত, মুখপাত্র পদে আসিফ ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক পদে হান্নান দায়িত্ব পালন করেছেন। আর উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক পদে ৪২ জন এবং যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক পদে ২৩ জন দায়িত্বপালন করেন।
কমিটিতে ২৪ জনকে যুগ্ম আহ্বায়ক ও ৬ জনকে যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে। আগের কমিটিতে কোনো সম্পাদকীয় পদ ছিল না, তবে পুনর্গঠিত কমিটিতে ৩২টি সম্পাদকীয় পদে ৩২ জনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে এক-দুজন করে সহসম্পাদক আছেন।
কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির পাশাপাশি বিজ্ঞপ্তিতে এনসিপির ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’-এর সদস্যদের নামও প্রকাশ করা হয়েছে। এতে কমিটির শীর্ষ নেতারা ছাড়াও সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, সামান্তা শারমিন, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল এবং এ কে ফ্লোরাকে পর্ষদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে।
