মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি শিশুদের মানবিক হতে হবে। শুধু মানুষের প্রতি দয়া নয়, প্রকৃতির প্রতি দয়া দেখাতে হবে। অভিভাবকদের অনুরোধ—শিশুদের এমনভাবে গড়ে তুলুন, যাতে শিশুরা মানবিক হয়ে ওঠে, পশু-পাখির প্রতি দয়া দেখায়। শিশুদের মধ্যে বোধশক্তি তৈরি করি।
তিনি আরও বলেন, শিশুদের খেলাধুলা করতে হবে, অনেকের অনেক ধরনের প্রতিভা আছে। তা তোমরা বিকশিত করো। কেউ গান গাইতে চাইলে, গান গাও, বাঁশি বাজাতে পারলে, বাঁশি বাজাও। আমি গিটার বাজানো শুরু করলেও, শেষ করতে পারিনি। আমি চাই তোমরা তোমাদের ইচ্ছা পূরণ করো। যার যেটা ভালো লাগে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৮ সালে স্কুল পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের জন্য নাচ, গান, বাদ্যযন্ত্র ও কেরাত শেখার সুযোগ থাকবে।
শিশুদের বিভিন্ন প্রতিভার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ ভালো ছবি আঁকতে পারে, কেউ কবিতা আবৃত্তি করতে পারে, কেউ গান, নাচ কিংবা কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে। প্রত্যেক শিশুর ভেতরে কোনো না কোনো গুণ রয়েছে এবং সেই গুণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ সুযোগ।
