মরক্কোর বিপক্ষে লড়াইয়ে জয় ছুঁয়ে দেখা হয়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। পিছিয়ে পড়ার পর অবশ্য ঘুরে দাঁড়ানোর দৃঢ়তা দেখিয়েছে ব্রাজিল।
শুরু থেকেই ব্রাজিল ছিল অগোছালো ও ছন্নছাড়া। ভুল পাস, মিস পাস আর দুর্বল মার্কিংয়ে তাদের খেলায় ছিল না কোনো ছন্দ। প্রায় প্রতিটি খেলোয়াড়ই যেন নিজের সেরা রূপ থেকে অনেক দূরে ছিলেন। গা-বাঁচানো ফুটবলে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স হয়ে উঠেছিল বেশ দৃষ্টিকটু।
ম্যাচ শেষে কোচ কার্লো আনচেলত্তি স্বীকার করেন, প্রথমার্ধে দল কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিল এবং অনেক ভুল করেছে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে উন্নতি হয়েছে। ফলাফলকে পুরোপুরি সন্তোষজনক না বললেও তিনি মনে করেন, গ্রুপ পর্বের শুরুতে ড্র খারাপ কিছু নয় এবং দল ধাপে ধাপে আরও উন্নতি করবে।
অন্যদিকে, কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত গ্রুপ ‘ডি’-এর ম্যাচে তুরস্ককে স্তব্ধ করে ২-০ গোলের জয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের অভিযান শুরু করেছে সকারুজরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই তুরস্ক আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গোলের দেখা পায় অস্ট্রেলিয়া। প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে নেস্টরি ইরানকুন্ডা নিখুঁত ফিনিশে দলকে এগিয়ে দেন।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরার জন্য একের পর এক আক্রমণ চালায় তুরস্ক। তবে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ ছিল দৃঢ়। গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রতিপক্ষের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।
ম্যাচের ৭৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কনর মেটকাফ। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার নিচু ও শক্তিশালী শট জালে জড়িয়ে গেলে জয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়ার।
