ইসলামের ইতিহাসে আশুরা বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন। ৬১ হিজরির এই দিনে ইরাকের কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.) সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অটল থেকে শাহাদাত বরণ করেন। তার সঙ্গে শতাধিক সঙ্গীও ইয়াজিদের বাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন। কারবালার এই আত্মত্যাগ অন্যায়, জুলুম ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অনন্য প্রতীক হিসেবে মুসলিম ইতিহাসে চিরস্মরণীয়।
ইসলামী ইতিহাসে ‘আশুরা’ (যার অর্থ দশম) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সহিহ বুখারির হাদিস অনুযায়ী, এই ১০ মহররমে মহান আল্লাহ তাআলা বনি ইসরাঈলকে ফেরাউনের চরম জুলুম-নির্যাতন থেকে অলৌকিকভাবে মুক্তি দিয়েছিলেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে এবং স্রষ্টার প্রতি শুকরিয়া জানাতে হজরত মুসা (আ.) এই দিনে রোজা রাখতেন।
আশুরা উপলক্ষ্যে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, “পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী মানুষকে অন্যায়-অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় এবং সত্য, সুন্দর ও আলোর পথে চলার চিরন্তন অনুপ্রেরণা দেয়।”
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বাণীতে উল্লেখ করেন, “ইসলামে বিভেদ, হানাহানি, বিদ্বেষ কিংবা সামাজিক বৈরিতার কোনো স্থান নেই।” তিনি সবাইকে পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে সম্প্রীতি, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, পরমতসহিষ্ণুতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ সুদৃঢ় করার উদাত্ত আহ্বান জানান।
